duplex building

ডুপ্লেক্স-বাড়ির-নকশা

ডুপ্লেক্স-বাড়ির-নকশা

ডুপ্লেক্স বাড়ির নকশা: সৌখিন মানুষের একমাত্র পছন্দ। একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে অনেক আরামের বসবাস করা যায় ।জীবনে বাঁচবো কত দিন ? একটু সুখ শান্তি আর আরাম আয়েস এর দরকার আছে।

ডুপ্লেক্স এ আছে প্রাইভেট ও পাবলিক স্পেস এর সুবিধা। যারা বেশি খুলামেলা পরিবেশ পছন্দ করে তারা করতে পারেন। আসা করি ভালো লাগবে।

This is custom heading element

This is custom heading element

This is custom heading element

This is custom heading element

কিছু বিষয় নিয়ে আজকে আলোচনা করবো যা জানা জরুরি :

ডুপ্লেক্স বাড়ির রুম

অনেকে আছে যারা পছন্দ করে উপরের তলায় কমন রুম রাখতে আবার অনেক পছন্দ করে নিচ তলায় কমন রুম রাখতে। এটার কোনো ফিক্সড নিয়ম নাই। তাই আপনি যা চান সেই ভাবে ই করা যাবে। তবে আমার টিম অধিকাংশ সময় নিচ তলায় কমন রুম গুলা রেখে উপরের তলায় প্রাইভেট রুম করি।

নিচ তলায় যা যা থাকবে :

ড্রয়িং রুম ,

ডাইনিং রুম

কমন রুম

রান্নাঘর

স্টোর রুম ,

গেস্ট রুম ইত্যাদি।

এখন উপরের তলায় যা যা রাখতে পারেন :

ফ্যামিলি লিভিং রুম

বেড রুম (বাথরুম , বারান্দা )

একটা ট্রেস ও থাকতে পারে।

একটা উন্মুক্ত পরিবেশ ও থাকতে পারে।

ছাদে র উপর ও আড্ডা দিয়ার জন্য একটা ঘর বা রুম করা যেতে পারে। ছাদ বাগান ও করা যেতে পারে।

শহরের ছোট জায়গা। বেশি কিছু করা অনেক সময় সম্বভ হয় না। তাই একটু ফাঁকা জায়গা দেখে, একটু ফ্রীলি থাকার জন্য সুন্দর একটা ডুপ্লেক্স বাড়ির নকশা করতে পারেন।

বাড়ির ডিজাইন নকশা জন্য, অবশ্যই মিনিমাম ৫ বছর এর অভিজ্ঞতা সম্পন্ন গ্রাজুয়েট ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিকেক্ট হতে হবে। তাহলে সুন্দর ও ভালো হতে পারে আপনার ডিজাইন।

বিশেষ করে স্ট্রাকচার ডিজাইন খুব ই ক্রিটিক্যাল। যে সব সিভিল ইঞ্জিনিয়ার সব সময় ডিজাইন ড্রয়িং করে এবং IEB মেম্বার। তাদের থেকে সব সময় ডিজাইন করেন। তাহলে অনেক ভালো হবে।

এবং নির্মাণ কাজ করার সময়, অবশ্যই ড্রয়িং ডিজাইন অনুযায়ী করুন। অনেকে দেখেছি ডিজাইন করার পরে ও অন্য লোকের কোথায় divert হয়ে যায়।

যা পরে নিজের ই ক্ষতি হয়। বলতে গেলে আম ও যায় ছালা ও যায়।

duplex building

আসুন জেনে নেই কেন আপনি ডুপ্লেক্স বাড়ি বাড়ি বানাবেন

১) আভিজাত্য:- ডুপ্লেক্স বাড়ি মুলত একটি পরিবারের আভিজাত্যের প্রতিক হয়ে থাকে। গ্রামে এবং এলাকাতে এই বিষয়গুলো বেশ সিরিয়াসলি দেখা হয়ে থাকে। একটা ডুপ্লেক্স আর রুচি এবং পছন্দের বহিপ্রকাশ হয়ে থাকে।

২) পরিবারের সন্তুষ্টি:- অনেক সময়ে দেখা যায় পরিবারের মুরুব্বিদের(বাবা,মা) আবদার থাকে তাদের শেষ দিনগুলো তারা সুন্দর একটি বাড়িতে কাটাতে চান। তাদের এই মানসিক শান্তির জন্য হলেও অনেকে সুন্দর একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি তৈরি করেন গ্রামে।

৩) ভবিষ্যৎ প্রজন্ম :- গ্রাম মানেই অন্যরকম কিছু বাচ্চাদের জন্য। শহরের ব্যাস্ততা, জায়গার স্বল্পতা এবং কোলাহল গ্রামে নেই। তাই বাচ্চাদের রিফ্রেশমেন্ট এর জন্য গ্রামে নিয়মিত যাওয়া উচিত প্রতিটি বাবা মায়ের।
আর ঢাকায় ফ্লাটে থাকা বাচ্চারা গ্রামে থাকতে গেলে তাদের জন্য ভালো একটা থাকার ব্যাবস্থা থাকাটা অত্যান্ত জরুরি।
এছারা বাচ্চাদের যদি গ্রামে যেতে ইন্টারেস্টেড না করা যায় তবে পরবর্তি প্রজন্মে তারা সম্পুর্ন ভুলে যাবে যে আপনার একটা স্থায়ি ঠিকানা ছিলো কোন এক যায়গায়। আর সুন্দর একটা বাড়ি তাদের এই ইন্টারেস্ট আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে।

 

৪) যোগাযোগ:- অনেকেই গ্রামের যোগাযোগ ব্যাবস্থা নিয়ে বেশ চিন্তিত থাকেন যে বাড়িতে যেতে তো অনেক সমস্যা। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন বর্তমানে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সাথে ঢাকার যোগাযোগ ব্যাবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো।
আপনি যদি ময়মনসিংহ এলাকার হয়ে থাকেন তবে একটি চারলেনের রাস্তার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চট্টগ্রামরে সাথে চারলেন রয়েছে।
বরিশালের রাস্তায় পদ্মা সেতু সহ অসাধারন একটি চারলেনের কাজ চলমান এবং উত্তরাঞ্চলের সাথে যোগাযোগ আরো ভালো করার জন্য টাঙ্গাইল পর্যন্ত একটা চারলেন এর কাজ প্রায় সমাপ্ত্।
তাই খুবই সহজে এখন আগের চেয়ে দ্রুত গতিতে গ্রামের যাওয়া যাবে।

৫) আত্মার বন্ধন:- এই বিষয়টি আসলে মুখে বলে বা হাতে লিখে বোঝানো সম্ভব না। যতই আপনি ঢাকাতে বাড়ি, গাড়ি করেন না কেন আপনি সব সময়ই এখানে নিজেকে ভাসমান মনে হবে।

nbconsultant

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Rating*