আপনি কি বাড়ির ডিজাইন করতে চান? Barir Design , Home Design
বাড়ির ডিজাইন করলে সম্পূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়। বাড়ির ডিজাইন দেখে বুঝা যায় কোথায় কি হবে। কেন বাড়ির ডিজাইন করবেন? করলে কি লাভ জেনে নিন। কি কি নকশা লাগবে জেনে নিন
সুন্দর বাড়ির ডিজাইন, Barir Design Photo, House/ Home Design
বাড়ির ডিজাইন করলে তা দেখে বোঝা যায় কোথায় কী হবে, সম্পূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়। অনেক কিছুর সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ সুন্দর বাড়ির ডিজাইন তৈরি হয়। কোনো একটি অংশ বাদ দিলে কোথাও না কোথাও কাজ করতে অসুবিধা হবে।
এ জন্য সম্পূর্ণ বাড়ির ডিজাইন ও নকশা বুঝে নেওয়া উচিত। একটি পূর্ণাঙ্গ বাড়ির ডিজাইনে কী কী থাকে, তা নিচে আলোচনা করা হলো।
- আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং
- বাড়ির 3D ভিউ, ছাদসহ চারপাশের ছবি
- সয়েল টেস্ট বা মাটি পরীক্ষা
- স্ট্রাকচারাল ডিজাইন ড্রয়িং
- ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন ড্রইং
- প্লাম্বিং ও পাইপ ফিটিংস ডিজাইন ড্রইং
- খরচের হিসাব (এস্টিমেট)
বাড়ির ডিজাইনের জন্য যোগাযোগ করুন।
এবার একে একে সব বিষয় আলোচনা করি, যা আপনার জানা খুবই প্রয়োজন।
বাড়ির ডিজাইন কী?
বাড়ির ডিজাইন বলতে মূলত বাড়ির সব নকশা বা ড্রয়িংয়ের সমষ্টিকে বোঝায়। এতে থাকে বাড়ির ফ্লোর প্ল্যান বা নকশা, বাড়ির ডিজাইনের ছবি এবং স্ট্রাকচার বা কাঠামোর ডিজাইন। আরও থাকে ইলেকট্রিক্যাল বা বিদ্যুতের লাইন এবং বাথরুমের পাইপ ফিটিং ও ফিক্সিংয়ের বিস্তারিত বিবরণসহ নকশা।
-
5 Story Building, 3 Bed Room, 2 Unit 61’x43′, ৫ তলা বাড়ির ডিজাইন, ৬১ x ৪৩ ফুট ৩ বেড রুম ২ ইউনিট গোপালগঞ্জ -
2 Story Home Plans Design 4 Bedroom under 2000 Sq Ft, 36 x 36 feet with 3D ২ তলা বাড়ির ডিজাইন ও ছবি ৩৬x৩৬ ফুট ৪ শতক জমি, ইসলামপাড়া -
Duplex house design, রাজকীয় ডুপ্লেক্স বাড়ি, অত্যাধুনিক ও গর্জিয়াস

5 Story Building, 3 Bed Room, 2 Unit 61’x43′, ৫ তলা বাড়ির ডিজাইন, ৬১ x ৪৩ ফুট ৩ বেড রুম ২ ইউনিট গোপালগঞ্জ

2 Story Home Plans Design 4 Bedroom under 2000 Sq Ft, 36 x 36 feet with 3D ২ তলা বাড়ির ডিজাইন ও ছবি ৩৬x৩৬ ফিট ৪ শতক জমি, ইসলামপাড়া

Duplex house design, রাজকীয় ডুপ্লেক্স বাড়ি, অত্যাধুনিক ও গর্জিয়াস
ডুপ্লেক্স প্রজেক্ট
আপনি কি গ্রামে সুন্দর ঘরের ডিজাইন করতে চান?
ঘরের ডিজাইন: অনেকে পল্লি অঞ্চলে বা গ্রামে ঘরের ডিজাইন করার কথা ভাবছেন।
সেমিপাকা ঘরের ডিজাইন করতে চাইলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

দুই ইউনিট সুন্দর বাড়ির ডিজাইন
আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং
প্ল্যান, এলিভেশন, সেকশনসহ প্ল্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত সবকিছুই আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং। আর্কিটেকচারাল ড্রয়িংয়ের প্রথমেই থাকে ফ্লোর প্ল্যান। কেন ফ্লোর প্ল্যান করবেন? তা বুঝতে হলে আগে ফ্লোর প্ল্যান বা নকশা কী, তা বুঝতে হবে।
বাড়ির নকশা কী?
দরজা-জানালার মাঝ বরাবর কাটলে ওপর থেকে যা দেখা যায়, তাকেই বাড়ির প্ল্যান বা নকশা বলা হয়। তাই প্ল্যান করার সময় ড্রয়িং এমনভাবে করা হয় যে মাঝ বরাবর কাটার পর নিচে যা থাকে, তা সলিড লাইনে এবং যে অংশগুলো ওপরে থাকে, সেগুলো ডট লাইনে দেখানো হয়।

ফ্লোর প্ল্যান স্কেলে করা হয়, অর্থাৎ অনুপাত (রেশিও) ঠিক রেখে ড্রয়িং করা হয় — যা ড্রয়িং বিশেষজ্ঞ ছাড়া অন্য কেউ ঠিকমতো পারেন না। এই অনুপাত এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে এটি দেখলেই বোঝা যায় রুমগুলোর সংযোগ কীভাবে হচ্ছে এবং কোথায় কতটা জায়গা থাকছে। অনেক সময় নিজেরাই একটি ড্রয়িং করে ঠিক করা হয় কোন রুমের পাশে কোন রুম হবে, পরে দেখা যায় তা অনুপাতের সঙ্গে মেলে না। তখন কাজের সময় অনেক ঝামেলা হয় এবং সিদ্ধান্ত বদলাতে হয়।
তাই যখন কোনো ইঞ্জিনিয়ার বা আর্কিটেক্টকে দিয়ে প্ল্যান করাবেন, তখন প্রতিটি রুমের জায়গা ও মাপ ভালো করে দেখে বুঝে নেবেন।
রুমের বিন্যাস পছন্দ হলে পরের কাজ হলো বাড়ির সামনের ও অন্যান্য দিক যেন দেখতে সুন্দর হয়, এমন একটি ভিউ তৈরি করা। এরপর আরও কিছু ড্রয়িং লাগে, যাতে মিস্ত্রিদের কাজ করতে সুবিধা হয়; এগুলো না থাকলে অনেক সময় কাজ ড্রয়িং অনুযায়ী হয় না।
বাড়ির ডিজাইন ও নকশার সংক্ষিপ্ত তালিকা
- বাড়ির সামনের দিকের মাপসহ 2D প্ল্যান
- বাড়ির সেকশন
- প্রতিটি ফ্লোরের প্রতিটি দেয়ালের মাপসহ প্ল্যান
- বাথরুমের প্রতিটি ফিটিংস বসানোর মাপসহ প্ল্যান
- রান্নাঘরের ফিটিংস বসানোর মাপসহ প্ল্যান
- বারান্দার রেলিং কীভাবে হবে, তার মাপসহ প্ল্যান ও এলিভেশন
- বারান্দা সেকশন
- False Slab লোকেশন
- Lintel লোকেশন
- এ ছাড়া আরও অনেক কিছু লাগে।
এসব ড্রয়িংয়ের একেকটির জন্যই অনেক পৃষ্ঠা লাগে। সম্পূর্ণ ডিটেইল ড্রয়িং চাইলে একটি আর্কিটেকচারাল ড্রয়িংয়েই 40 থেকে 50 পৃষ্ঠা লেগে যায়।
বাড়ির ডিজাইন ও খরচ
বাড়ি নির্মাণের খরচ অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। তবে চাইলে মোটামুটি কম খরচে বাড়ি নির্মাণ করা যায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ দিন দিন বাড়ছে, তাই মজবুত স্ট্রাকচার করাই উচিত।
ফাউন্ডেশনের খরচ সাধারণত একটি বিল্ডিংয়ের মোট খরচের ১০ থেকে ১৫ শতাংশের মতো হয়ে থাকে। অর্থাৎ
৪ তলা বাড়ির ফাউন্ডেশন খরচ হিসাব
একটি বিল্ডিং যদি হয় চারতলা
আর যদি ছাদের মাপ হয় ২০০০ বর্গফুট
ধরি প্রতি বর্গফুটে ১৫০০ টাকা লাগে
তাহলে ফাউন্ডেশনে খরচ হতে পারে ২০০০x১৫০০x৪*০.১০ = ১২,০০,০০০ টাকা।
তাহলে ৪ তলা বাড়ির ফাউন্ডেশনে প্রতি বর্গফুটে খরচ ৬০০ টাকা।
৩ তলা বাড়ির ফাউন্ডেশনে প্রতি বর্গফুটে খরচ ৪৫০ টাকা।
২ ও ১ তলা বাড়ির ফাউন্ডেশনে প্রতি বর্গফুটে খরচ ৩০০ টাকা।
এটি একটি সাধারণ হিসাব। মাটি পরীক্ষায় যদি দেখা যায় মাটির ভারবহন ক্ষমতা কম, তাহলে খরচ অনেক বাড়বে।
এভাবে আপনি আপনার বাড়ির ফাউন্ডেশনের খরচ বের করতে পারবেন।
যেকোনো গৃহ নির্মাণ প্রকল্পে খরচের শতকরা হিসাব
| নির্মাণ | ||
| (ক) | নির্মাণসামগ্রী বাবদ ব্যয় | ৬০% |
| (খ) | শ্রমিকের মজুরি বাবদ | ২০% |
| (গ) | যন্ত্রপাতি ও মিক্সার মেশিন বাবদ | ৩% |
| (ঘ) | কাজ করার জন্য লোক | ৪.৫% |
| (ঘ) | সম্ভাব্য অনির্ধারিত ব্যয় | ২.৫% |
| (চ) | ঠিকাদারের লাভ | ১০% |
| পরামর্শ | ||
| (ক) | ইঞ্জিনিয়ারের ফি | ৬% |
| (খ) | তদারকি | ১% |
সিভিল নির্মাণে খরচ ৭৫% (এর মধ্যে ১৫% ভিত্তির জন্য ধরা হয়), স্যানিটারি কাজে ১৫%, ইলেকট্রিক কাজে ৯%, গ্যাস লাইনে ১%
ডুপ্লেক্স বাড়ির ভিডিও
https://youtu.be/OH3_MMd2Lawhttps://youtu.be/L19yi8T-09Ehttps://youtu.be/CdPbYwobrQg
দুই ইউনিট বাড়ির ডিজাইন ভিডিও
https://youtu.be/LTilklmT9AEhttps://youtu.be/MJ5vWwIBrXAhttps://youtu.be/NIInl5KMj44
বাড়ির 3D ভিউ: চারপাশ ও ছাদসহ বাড়ির ডিজাইনের ছবি

বাড়ি তৈরির পর দেখতে কেমন লাগবে, তা জানতেই থ্রিডি ডিজাইন করা হয়। থ্রিডি ডিজাইনে রঙের কম্বিনেশন ও ম্যাচিং করা যায়, আর রং মানানসই হলে দেখতে অনেক সুন্দর লাগে।
সৌন্দর্যের জন্য আমরা ফলস ছাদ কিছুটা বাইরে বাড়িয়ে দিই, কখনো রং পরিবর্তন করি, টাইলস বা অন্য কোনো ভালো ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করি। এভাবে নানাভাবে পরীক্ষা করে যেটি দেখতে সবচেয়ে ভালো লাগে, শেষে সেটিই বেছে নিই।
এ জন্য বাড়ির 3d ভিউ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। থ্রিডি ভিউ করতে উচ্চক্ষমতার কম্পিউটার লাগে, একই সঙ্গে একাধিক সফটওয়্যারে কাজ করতে হয়; তাই থ্রিডি আর্টিস্টদের চাহিদা অনেক বেশি।
রঙের মিল একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রং দিয়েই যদি সুন্দর দেখানো যায়, তাহলে বাড়তি টাইলসের প্রয়োজন হয় না।
চার রুমের বাড়ির নকশা ভিডিও
https://youtu.be/LTilklmT9AEhttps://youtu.be/qKceQ-wWNeQhttps://youtu.be/U5b3kmgjx3w
সয়েল টেস্ট বা মাটি পরীক্ষা
সয়েল টেস্ট বা মাটি পরীক্ষা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মাটি পরীক্ষার উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। সয়েল টেস্ট করে প্রজেক্টের ‘সাইট ক্লাস’ বের করা হয়। সাইট ক্লাসের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রজেক্টে কোন ধরনের রড ডিটেইলিং করতে হবে, তা নির্ধারণ করা হয়।
যেমন সাইট ক্লাস এর উপর ভিত্তি করে যদি স্পেশাল মোমেন্ট ফ্রেম ডিজাইন করতে হয় তাহলে রড বেশি লাগে। আর যদি অর্ডিনারি ডিজাইন করতে হয় তাহলে রড কম লাগে। তাই আপনার নিরাপত্তার জন্য সয়েল টেস্ট বা মাটি পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের দেশে সাধারণত SPT ভ্যালুর ওপর ভিত্তি করে সয়েল টেস্ট করা হয়। কিন্তু যদি SPT ভ্যালু বের করা না যায়, অথবা মাটি শক্ত হওয়ায় SPT ড্রিল করা না যায়, তাহলে শিয়ার ওয়েভ ভেলোসিটি দিয়ে সাইট ক্লাস বের করতে হবে। বড় প্রজেক্টে 30 মিটার পর্যন্ত SPT ভ্যালু নেওয়া না গেলে শিয়ার ওয়েভ ভেলোসিটি পরীক্ষা করতে হবে।
মাটি পরীক্ষার রিপোর্টে মাটির ভারবহন ক্ষমতা কত, তা লেখা থাকে। তাই মাটি পরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ন্যূনতম 3টি বোরিং করা উচিত, পাঁচটি করতে পারলে আরও ভালো — তাহলে মাটির সব স্তর বোঝা যায়। জমি বড় হলে কয়টি বোরিং করতে হবে, তা ইঞ্জিনিয়ার বলে দেবেন। বাড়ির ডিজাইনের আগেই মাটি পরীক্ষা করে নেবেন।
যিনি বাড়ির ডিজাইন করবেন, তাঁর তত্ত্বাবধানে মাটি পরীক্ষা হলে সবচেয়ে ভালো হয়।
স্ট্রাকচারাল ডিজাইন ড্রয়িং
স্ট্রাকচার ডিজাইন করলে এবং ডিজাইন অনুযায়ী সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে একটি বিল্ডিংয়ের নিরাপত্তা বেড়ে যায়। স্ট্রাকচারের নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড 2020 খুবই ভালো ও যুগোপযোগী একটি কোড। কোড মেনেই বিল্ডিং করা উচিত।
দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশের অধিকাংশ বিল্ডিং কোড মেনে করা হয় না, কারণ এতে অনেক সময় লাগে। কোড মেনে কাজ করতে হলে আগে কোডটি জানতে হয় এবং যিনি জানেন, তাঁর কাছ থেকে এর প্রয়োগ শিখতে হয়। কিন্তু অধিকাংশ ইঞ্জিনিয়ার সঠিক দিকনির্দেশনা পান না — এটিই বাস্তবতা। তাই অভিজ্ঞ ও দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের কাছে যাওয়া উচিত।
ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন ড্রইং

ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইনও খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কোথায় কোন ইলেকট্রিক্যাল সরঞ্জাম বসবে এবং লাইন কীভাবে যাবে, তা এতে দেওয়া থাকে। একটি বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা উচিত: বিমের ভেতর দিয়ে যেন কোনো পাইপ না যায়। কলামের ভেতর দিয়ে সাধারণত কেউ পাইপ দেন না, তবে ভুলবশত যেন কেউ না দেন, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
কোথায় কত আরএম তার লাগবে, তা ডিজাইনের প্ল্যানে দেওয়া থাকে। কোথায় কত ওয়াট লাগবে, তার ওপর ভিত্তি করে তারের আরএম নির্ধারণ করা হয়; তাই ডিজাইন অনুযায়ী কাজ করা উচিত। ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন করলে অনেক উপকার হয়। একটি বিল্ডিংয়ে বিদ্যুতের কাজ সাধারণত একবারই করা হয়, তাই একে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
ভুল করলে কিন্তু পস্তাতে হবে। অনেক কিছু বিবেচনা করে ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন করা হয় — যেমন ইন্টারকম, ডিশ লাইন, ইন্টারনেট কেব্ল, বিদ্যুতের লাইন, এসির লাইন, গিজারের লাইন, রান্নাঘরের ইন্ডাকশন কুকারের লাইন ইত্যাদি। এমন আরও অনেক কিছু আছে, তাই ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন অবশ্যই করাবেন।
আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং টিম
প্লাম্বিং ও পাইপ ফিটিংস ডিজাইন ড্রইং
প্লাম্বিং ড্রয়িং খুবই জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ। কাজে ভুল হলে পরিবেশদূষণের পাশাপাশি পস্তাতেও হয়। তাই কাজ শেষে টাইলস করার আগে পানির লাইনগুলো সঠিকভাবে জোড়া লাগানো হয়েছে কি না, তা পানি বা বাতাস দিয়ে পরীক্ষা করে নিতে হয়।
সম্ভব হলে সেপটিক ট্যাংক বিল্ডিংয়ের বাইরে করবেন। ড্রেন থাকলে সোক পিট বিল্ডিংয়ের এলাকার মধ্যে না করাই ভালো, কারণ বিল্ডিংয়ের ভেতরে সোক পিট করলে বেসের নিচে পানি চলে আসে। তাই এটি বিল্ডিংয়ের বাইরে রাখাই ভালো।
প্লাম্বিং ডিজাইনে কোন পাইপের ব্যাস কত হওয়া উচিত? একটি পানির পাইপ থেকে কয়টি ট্যাপে কী পরিমাণ পানি বের হবে — এসব হিসাব করেই প্লাম্বিং ডিজাইন করা হয়। ডিজাইন না থাকলে এমনও হয় যে একটি ট্যাপ চালু করলে আরেকটিতে পানি আসে না। তাই আগে থেকেই সতর্ক হওয়া ভালো।
আমাদের কাছে আপনি সব ধরনের সেবা পাবেন। আমাদের দল অত্যন্ত অভিজ্ঞ — প্রত্যেক ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্টের কাজের অভিজ্ঞতা 10 বছরের বেশি। তাই নিশ্চিন্তে আমাদের ওপর নির্ভর করতে পারেন।
বাড়ির ডিজাইনের জন্য যোগাযোগ করুন। আমাদের বাড়ির নকশার ভিডিও দেখুন।
মসজিদের ডিজাইন দেখুন

ডুপ্লেক্স বাড়ির ডিজাইনগুলো দেখুন





Table of Contents
যোগাযোগ
আপনার জমির জন্য সঠিক ডিজাইন নিয়ে কথা বলুন
জমির মাপ ও প্রয়োজন জানালে আমরা উপযুক্ত প্ল্যান ও খরচের ধারণা দিতে পারব।