জমির হিসাব
জমির হিসাব নিকাশ জানা খুব প্রয়োজন। জমির হিসাব জানলে অনেক ঝামেলা থেকে বাঁচা যায়। জমির কোন কাগজ কি কাজ করে তা জানতে পারবেন। অন্যকে বলতে ও পারবেন
জমির হিসাব জানা প্রত্যেক মানুষের উচিত।
জমির হিসাব-নিকাশ জানা প্রত্যেক মানুষের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। জমির হিসাব বোঝার আগে জেনে নিন, জমির কোন কাগজ কী কাজে লাগে।
জমির হিসাবের গুরুত্বপূর্ণ কাগজগুলো হলো: “পর্চা”, “দাগ”, “খতিয়ান”, “মৌজা”, “জমা খারিজ”, “নামজারি”, “তফসিল” ইত্যাদি। এগুলোর সংজ্ঞা এবং ভূমিবিষয়ক জরুরি সব তথ্য জেনে নিন।
৪ তলা বাড়ির ফাউন্ডেশন খরচ, 4 Storied Building foundation cost, 4 Tola barir foundation cost
জমির হিসাবের সব কাগজের ব্যাখ্যা দেওয়া হলো
নামজারি বা মিউটেশন কাকে বলে?
ক্রয়সূত্রে, উত্তরাধিকারসূত্রে অথবা যেকোনো সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারি বলা হয়।
জমা খারিজ কাকে বলে?
যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
খতিয়ান কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “খতিয়ান” বলে।
খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় মৌজাভিত্তিক। আমাদের দেশে CS, RS, SA এবং সিটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জরিপকালে ভূমি মালিকের যে তথ্য প্রস্তুত করা হয়েছে, তাকে “খতিয়ান” বলে। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান…
ভূমি জরিপ: CS, RS, PS, BS কী?
ভূমি বা Land কাকে বলে?
“ভূমি কাকে বলে?”- এর আইনি সংজ্ঞা রয়েছে। The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- এর ২(১৬)- ধারা মতে, “ভূমি (land) বলতে আবাদি, অনাবাদি অথবা বছরের যেকোন সময় পানিতে ভরা থাকে এবং ভূমি হতে প্রাপ্ত সুফল, ঘরবাড়ি বা দালান কোঠা বা মাটির সঙ্গে সংযুক্ত অন্যান্য দ্রব্য অথবা স্থায়ীভাবে সংযুক্ত দ্রব্য এর অন্তর্ভুক্ত বুঝাবে।”
ভূমি জরিপ / রেকর্ড কাকে বলে? ভূমি জরিপ হচ্ছে ভূমির মালিকানা সম্বলিত ইতিহাসের সরেজমিন ইতিবৃত্ত।
আইনি সংজ্ঞা হচ্ছে, The Survey Act, 1875 এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী সরকারের জরিপ বিভাগ সরেজমিন জরিপ করে ভূমির মালিকানার যে বিবরণ
এবং নকশা তৈরি করে, তা-ই রেকর্ড বা জরিপ। অর্থাৎ রেকর্ড বা জরিপ হচ্ছে মালিকানার বিবরণ এবং নকশার সমন্বয়। একটি ভূমির মালিক কে এবং তার সীমানা কতটুকু তা ভূমি জরিপের মাধ্যমে নকশা/ম্যাপে নির্ণয় করা হয়।
এই নকশা এবং ম্যাপ অনুসারে মালিকানাসম্পর্কিত তথ্য যেমন ভূমিটি কোন মৌজায় অবস্থিত, এর খতিয়ান নাম্বার, ভূমির দাগ নাম্বার, মালিক ও দখলদারের বিবরণ ইত্যাদি প্রকাশিত হয় যাকে খতিয়ান বলে। রেকর্ড বা জরিপ প্রচলিতভাবে খতিয়ান বা স্বত্বলিপি বা Record of Rights (RoR) নামেও পরিচিত। রেকর্ড বা জরিপের ভিত্তিতে ভূমি মালিকানা সম্বলিত বিবরণ খতিয়ান হিসেবে পরিচিত। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান, ইত্যাদি। আমাদের দেশে পরিচালিত ভূমি জরিপ বা রেকর্ডগুলো হচ্ছে:
আইনি সংজ্ঞা হচ্ছে, The Survey Act, 1875 এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী সরকারের জরিপ বিভাগ সরেজমিন জরিপ করে ভূমির মালিকানার যে বিবরণ
এবং নকশা তৈরি করে, তা-ই রেকর্ড বা জরিপ। অর্থাৎ রেকর্ড বা জরিপ হচ্ছে মালিকানার বিবরণ এবং নকশার সমন্বয়। একটি ভূমির মালিক কে এবং তার সীমানা কতটুকু তা ভূমি জরিপের মাধ্যমে নকশা/ম্যাপে নির্ণয় করা হয়। এই নকশা এবং ম্যাপ অনুসারে মালিকানাসম্পর্কিত তথ্য যেমন ভূমিটি কোন মৌজায় অবস্থিত, এর খতিয়ান নাম্বার, ভূমির দাগ নাম্বার, মালিক ও দখলদারের বিবরণ ইত্যাদি প্রকাশিত হয় যাকে খতিয়ান বলে।
রেকর্ড বা জরিপ প্রচলিতভাবে খতিয়ান বা স্বত্বলিপি বা Record of Rights (RoR) নামেও পরিচিত। রেকর্ড বা জরিপের ভিত্তিতে ভূমি মালিকানা সম্বলিত বিবরণ খতিয়ান হিসেবে পরিচিত। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান, ইত্যাদি। আমাদের দেশে পরিচালিত ভূমি জরিপ বা রেকর্ডগুলো হচ্ছে:
- 1. CS -Cadastral Survey
- 2. SA- State Acquisition Survey (1956)
- 3. RS -Revitionel Survey
- 4. PS – Pakistan Survey
- 5. BS- Bangladesh Survey (1990)
সি.এস. জরিপ/রেকর্ড (Cadastral Survey)
“সিএস” হলো Cadastral Survey (CS) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। একে ভারত উপমহাদেশের প্রথম জরিপ বলা হয় যা ১৮৮৯ সাল হতে ১৯৪০ সালের মধ্যে পরিচালিত হয়। এই জরিপে বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইনের দশম অধ্যায়ের বিধান মতে দেশের সমস্ত জমির বিস্তারিত নকশা প্রস্তুত করার এবং প্রত্যেক মালিকের জন্য দাগ নম্বর উল্লেখপূর্বক খতিয়ান প্রস্তুত করার বিধান করা হয়। প্রথম জরিপ হলেও এই জরিপ প্রায় নির্ভুল হিসেবে গ্রহণযোগ্য। মামলার বা ভূমির জটিলতা নিরসনের ক্ষেত্রে এই জরিপকে বেস হিসেবে অনেক সময় গণ্য করা হয়।
এস.এ. জরিপ (State Acquisition Survey)
১৯৫০ সালে জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ার পর সরকার ১৯৫৬ সালে সমগ্র পূর্ববঙ্গ প্রদেশে জমিদারী অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় এবং রায়তের সঙ্গে সরকারের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে জমিদারদের প্রদেয় ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ এবং রায়তের খাজনা নির্ধারণের জন্য এই জরিপ ছিল।
জরুরি তাগিদে জমিদারদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই জরিপ বা খতিয়ান প্রণয়নের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল।
আর.এস. জরিপ (Revisional Survey)
সি. এস. জরিপ সম্পন্ন হওয়ার সুদীর্ঘ ৫০ বছর পর এই জরিপ পরিচালিত হয়। জমি, মালিক ও দখলদারের তথ্য হালনাগাদ করার উদ্দেশ্যে এ জরিপ সম্পন্ন করা হয়। আগের ভুলত্রুটি সংশোধন করায় আর.এস. জরিপ এতটাই নির্ভুল হয় যে এখনো জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধে আর.এস. জরিপের ওপর নির্ভর করা হয়। এর খতিয়ান ও ম্যাপের ওপর মানুষ এখনো গভীর আস্থা রাখে।
সিটি জরিপ (City Survey)
সিটি জরিপের আরেক নাম ঢাকা মহানগর জরিপ। আর.এস. জরিপের পর বাংলাদেশ সরকারের অনুমতিক্রমে এ জরিপ নব্বইয়ের দশকে শুরু হয়ে কয়েক ধাপে সম্পন্ন হয়। এ যাবৎকালের সর্বশেষ ও আধুনিক জরিপ এটি; এ জরিপের পর্চা কম্পিউটারে মুদ্রিত আকারে প্রকাশিত হয়। জমির হিসাব জানার জন্য এসব বিষয় জানা খুব জরুরি।
পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তুতের আগে খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভূমি মালিকদের দেওয়া হয়, তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার এই মাঠ পর্চা তসদিক বা সত্যায়ন করার পর কারও কোনো আপত্তি থাকলে শুনানি শেষে খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চূড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে। জমির হিসাব পর্চায় লেখা থাকে।
“মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপের সময় থানাভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া বা মহল্লাকে আলাদা এককে ভাগ করে ক্রমিক নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিভক্ত এই প্রতিটি একককে মৌজা বলে। মৌজা ম্যাপ বা মানচিত্র দেখে স্কেল ধরে জমির হিসাব করা যায়। মৌজা ম্যাপ গান্টার শিকলের মাপে করা হয়।
তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে মৌজার নাম ও নম্বর, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশিত থাকে।
দাগ নম্বর কাকে বলে?
জরিপ ম্যাপ প্রস্তুতের সময় মৌজা নকশায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা শনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রতিটি ভূমিখণ্ডকে আলাদা নম্বর দেওয়া হয়। এই নম্বরকেই দাগ নম্বর বলে। একেক দাগ নম্বরে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত দাগ নম্বর অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খুঁটি বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রদর্শন করা হয়।
ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নম্বর দেওয়া হয় সে সময় কোনো নম্বর ভুলক্রমে বাদ পড়লে তাকে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে দুটি দাগ একত্র করে নকশা পুনঃসংশোধন করা হলে যে দাগ নম্বর বাদ যায়, তাকেও ছুটা দাগ বলে।
খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নকশা প্রস্তুতের পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে জরিপ কর্মচারী কর্তৃক খতিয়ান ফর্মের প্রতিটি কলাম পূরণের প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
আমিন কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নকশা ও খতিয়ান প্রস্তুত এবং ভূমি জরিপ কাজে নিযুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে। জমির হিসাব জানার জন্য আমিনের সাহায্য নিতে পারেন।
কিস্তোয়ার কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তুতের পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে খণ্ড খণ্ড ভূমির বাস্তব ভৌগোলিক চিত্র সঠিকভাবে অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
খাজনা কাকে বলে?
ভূমি ব্যবহারের জন্য সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে প্রজার কাছ থেকে যে কর আদায় করে, তাকে খাজনা বলে।
দাখিলা কাকে বলে?
ভূমি কর/খাজনা আদায়ের পর যে নির্দিষ্ট ফর্মে (ফর্ম নং ১০৭৭) আদায়ের প্রমাণপত্র বা রসিদ দেওয়া হয়, তাকে দাখিলা বলা হয়।
DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতীত অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায়ের পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রসিদ দেওয়া হয়, তাকে DCR বলে।
কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব দিলে প্রজা তা গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গীকারপত্র দেন, তাকে কবুলিয়ত বলে।
নাল জমি কাকে বলে?
২/৩ ফসলি সমতল ভূমিকে নাল জমি বলা হয়।
খাস জমি” কাকে বলে?
সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর বা ডিসি তত্ত্বাবধান করেন, তাকে খাস জমি বলে।
চান্দিনা ভিটি কাকে বলে?
হাটবাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী অকৃষি জমির যে অংশ প্রজাকে বরাদ্দ দেওয়া হয়, তাকে চান্দিনা ভিটি বলে।
ওয়াকফ কাকে বলে?
ইসলামি বিধান অনুযায়ী কোনো ভূমির মালিক ধর্মীয় ও সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যয়ভার বহনের উদ্দেশ্যে ভূমি দান করলে তাকে ওয়াকফ বলে।
মোতাওয়াল্লি কাকে বলে?
যিনি ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান করেন, তাঁকে মোতাওয়াল্লি বলে। ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া মোতাওয়াল্লি ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না।
দেবোত্তর” সম্পত্তি কাকে বলে?
হিন্দুধর্ম মতে, ধর্মীয় কাজের জন্য উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলে।
ফরায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টনের নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফরায়েজ বলে।
ওয়ারিশ কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি উইল না করে মারা গেলে তাঁর স্ত্রী, সন্তান বা নিকটাত্মীয়দের মধ্যে যাঁরা রেখে যাওয়া সম্পত্তির মালিক হওয়ার যোগ্য, তাঁদের ওয়ারিশ বলে। জমির হিসাবের জন্য ওয়ারিশদের হিসাব জানা জরুরি।
সিকস্তি কাকে বলে?
নদীভাঙনের ফলে যে জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়, তাকে সিকস্তি বলে। সিকস্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়স্তি হয়, তাহলে সিকস্তি হওয়ার সময় যিনি ভূমির মালিক ছিলেন, তিনি বা তাঁর উত্তরাধিকারীরা শর্তসাপেক্ষে ওই জমির মালিকানা পাবেন।
পয়স্তি কাকে বলে?
নদীগর্ভে পলিমাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়স্তি বলে।
দলিল” কাকে বলে?
আইনগত সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য যেকোনো লিখিত বিবরণকে দলিল বলা হয়। তবে সাধারণভাবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমির ক্রেতা ও বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন, তাকেই দলিল বলে। জমির হিসাব জানার জন্য দলিল বোঝা খুব জরুরি।
→ জমির পরিমাপ ←
জমির হিসাবের জন্য ফিতার মাপ দেওয়া হলো।
1 বিঘা = 14,400 বর্গফুট
1 বিঘা = 1600 বর্গগজ
1 বিঘা = 20 কাঠা
1 বিঘা = 1 বর্গরাশি
1 বিঘা = 33 শতক
1 কাঠা = 720 বর্গফুট(18″)
1 কাঠা = 80 বর্গগজ
1কাঠা= 1.65 শতক/শতাংশ
1 কাঠা = 16 ছটাক
1 বিঘা= 20 কাঠা
1 একর= 60.5 কাঠা
1 একর = 3 বিঘা 8 ছটাক
1 একর=43560 বর্গফুট
1 একর= 60.5 কাঠা
1 একর= 100 শতক
1একর= 4840 বর্গগজ
1 একর= 10 বর্গ চেইন
1 চেইন= 22 গজ
1 বর্গ চেইন= 484 বর্গগজ
1 ছটাক= 0.10313 শতক
1 ছটাক= 45.54বর্গফুট (18″)
1 ছটাক= 5.01বর্গগজ
1 বর্গগজ= 9বর্গফুট
1 বর্গফুট= 144 বর্গ ইঞ্চি
1 বর্গ কিমি=247 একর
1 বর্গমাইল= 640 একর
1 শতক = 62726 বর্গ ইঞ্চি
1 শতক = 435.6 বর্গফুট
1 শতাংশ=100 অযুতাংশ
1 শতাংশ=48.40 বর্গগজ
5 শতাংশ= 3 কাঠা
10 শতাংশ= 4356 বর্গফুট
1 বর্গমিটার=1.196 বর্গগজ
1 বর্গমিটার=10.76 বর্গফুট (প্রায়)
1 হেক্টর=2.47 একর (প্রায়)
1 হেক্টর=7.47 বিঘা
1 হেক্টর= 10000 বর্গমিটার
1 হেক্টর= 100 এয়র
1 এয়র= 100 বর্গমিটার
1 বর্গ মাইল= 640 একর
1 বর্গহাত = 1 গণ্ডা।
4 বর্গহাত = 4 গন্ডা = 9 বর্গফুট = 0.84 বর্গমিটার।
1 ছটাক= 20 গণ্ডা
1 কাঠা= 66.89 বর্গমিটার।
1 বিঘা = 1337.8 বর্গমিটার
1 একর = 4046.24 বর্গমিটার।
1 শতক =1000 বর্গ কড়ি।
1 বর্গমাইল = 1936বিঘা।
10 ঘন মিটার = 1 ঘন স্টেয়র।
10 ঘন স্টেয়র = 1 ডেকাস্টেয়র।
1 স্টেয়র = 35.3 ঘনফুট।
1 ডেকাস্টেয়র =13.08 ঘনগজ।
★জমির হিসাব :১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ১ কাঠা = ১৬ ছটাক১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত২০ কাঠা = ১ বিঘা৬০ কাঠা = ১ একর১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টরকানি পরিমাপক১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত ; ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০০০০ বর্গলিংক১ কানি = ২৪ কাঠাবিঘা পরিমাপক১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি১ বিঘা = ২০ কাঠা১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড৭৪১ বিঘা = ১৪৮২০ কাঠা = ১০৬৭০৪০০ বর্গফুট = ৯৯১৬৭২ বর্গমিটার = ১ বর্গকিলোমিটার =২৪৭একর৭.৪১বিঘা = ১৪৮.২কাঠা = ১০৬৭০৪ বর্গফুট = ১০০০০ বর্গমিটার = ১ হেক্টর = ২.৪৭ একরজেনে নিনখতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কী?পাকি পরিমাপক১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশশতাংশ নির্ণয়ের সূত্র১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ = ৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা১ শতাংশ = ১৯৩.৬ বর্গহাত২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়েরএকর পরিমাপক১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬০ বর্গফুট১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৪০৫ হেক্টর৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক১ একর = ৬০.৫ কাঠা১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটারহেক্টর পরিমাপক১ হেক্টর = ২.৪৭ একর১ হেক্টর = ৭.৪১ বিঘা১ হেক্টর = ১৪৮.২ কাঠা১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।(সূত্র : ইন্টারনেট)
Table of Contents
-
৪ তলা বাড়ির ডিজাইন
Modern 4 storey building design at kashiani Gopalganj
Written by
fatema
Published on
02/08/2025
Comments By
0 -
৫ তলা বাড়ির ডিজাইন
2 unit floor plan 2 bedroom with car parking at Jamalpur Sadar
Written by
fatema
Published on
09/03/2025
Comments By
0 -
৫ তলা বাড়ির ডিজাইন
5th floor building design
Written by
fatema
Published on
30/01/2025
Comments By
0


login-register

Payment Confirmation

Payment Failed

7aaUOmxu84su-seo-by-rank-math-3.0.103.zip

Floor Plan In Bangladesh

Modern 4 storey building design at kashiani Gopalganj
![]()
2 unit floor plan 2 bedroom with car parking at Jamalpur Sadar

5th floor building design

7 Floor Building Design floor plan and 3d elevation
বাড়ির ডিজাইনের জন্য যোগাযোগ করুন। আমাদের বাড়ির নকশার ভিডিও দেখুন।
CONTACT
Talk to us about the right design for your plot
Tell us your land size and requirements and we can suggest a suitable plan and an indicative cost.