স্বপ্নের বাড়ি তৈরির প্লান ও হিসাব। বাড়ির ডিজাইন নকশা
স্বপ্নের বাড়ি তৈরির প্লান ও হিসাব ! বাড়ি তৈরির নকশা ছবি
বাড়ি করার আগে সুন্দর একটি প্ল্যান বা নকশা করুন।
বাড়ি তৈরির প্ল্যান করার আগে প্রয়োজনীয় অনেক কিছু জানা জরুরি।
বাড়ির ডিজাইনের জন্য যোগাযোগ করুন।
বাড়ি তৈরির প্ল্যানসমূহ
স্বপ্নের বাড়ি তৈরির জন্য প্ল্যান ও হিসাব করে কাজ শুরু করুন। বাড়ির ডিজাইন ও নকশা থাকলে মিস্ত্রিরা কাজে ভুল করবেন না।
আর্কিটেকচার ফ্লোর প্ল্যান: জমির সঠিক ব্যবহার করে সুন্দর ও বসবাস-উপযোগী প্ল্যান করা হয়।
জমির পরিমাণ ও কত তলা হবে, তার ওপর ভিত্তি করে চারপাশে জমি ছেড়ে বাড়ির প্ল্যান করা হয়।
পর্যাপ্ত আলো-বাতাস যেন চলাচল করে, সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ রাখা হয়।
আরও আধুনিক প্ল্যানের জন্য এমন ব্যবস্থা করা যায়, যাতে শীতকালে রোদ আসে আর গরমকালে রোদ থেকে বাঁচা যায়।
এমন অনেক বাড়ি দেখি, যেখানে শীতকালেও কষ্ট, আবার গরমকালেও কষ্ট।
একটি সুন্দর ও মজবুত বাড়ি করার জন্য জমির মালিককেই মূল ভূমিকা রাখতে হয়।
বাড়ি তৈরির নকশা ছবি সামনের অংশ
বাড়ির সামনের অংশের নকশা আমরা ২ ভাবে করেছি: প্রথমে 2D, তারপর 3D।
নিরাপদ বাড়ি তৈরির জন্য স্ট্রাকচার ডিজাইন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
একটি সুন্দর ও মজবুত বাড়ি করার জন্য জমির মালিককেই মূল ভূমিকা রাখতে হয়। প্ল্যান করে তারপর কাজে হাত দিন।
স্ট্রাকচার ডিজাইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভূমিকম্পসহনীয় ভবনের ডিজাইন করা ও তা বাস্তবায়ন করা অনেক জরুরি।
বাড়ির ডিজাইনের জন্য যোগাযোগ করুন। আমাদের বাড়ির নকশার ভিডিও দেখুন।
বাড়ি তৈরি করতে কী কী লাগে?
বাড়ি তৈরি করতে যা যা লাগে: আর্কিটেকচারাল ডিজাইন, মাটি পরীক্ষা, স্ট্রাকচার ডিজাইন, ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন ও প্লাম্বিং ডিজাইন।
প্রজেক্টে যতদিন কাজ চলবে, অবশ্যই একজন ইঞ্জিনিয়ার রাখবেন, যিনি সবসময় কাজ তদারক করবেন।
স্ট্রাকচার ডিজাইনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্ল্যান বা নকশা
বাড়ির প্ল্যানের মধ্যে স্ট্রাকচার ডিজাইন খুব গুরুত্বপূর্ণ। স্ট্রাকচার ডিজাইনের পর মিস্ত্রিরা যেন প্ল্যান অনুযায়ী ঠিকমতো কাজ করতে পারেন,
সে জন্য কলামগুলো সঠিক জায়গায় বসাতে গ্রিড টানা হয়।
প্রথমে গ্রিড লাইনগুলো সুতা দিয়ে টানা হয়; তারপর সেখান থেকে কলাম কোন পাশে কত ইঞ্চি গেছে, সেই মাপ দেওয়া থাকে, ফলে কলামটি সঠিক পয়েন্টে বসে।
সুতা থেকে কলামটি কোন দিকে কত ইঞ্চি সরে আছে, তার সব মাপ থাকে।
ফাউন্ডেশন আউটলাইন প্ল্যান
ফাউন্ডেশন আউটলাইন প্ল্যান: এতে বেজের মাপ দেওয়া থাকে; এখানে একটি দুই তলা বাড়ির বেজের মাপ দেখানো হয়েছে। কলামের লোড ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় মাটির লোড ক্যাপাসিটি অনুসারে বেজের মাপও ভিন্ন হয়। প্রতিটি কলামের লোড আলাদাভাবে হিসাব করলে আরও সাশ্রয়ী ডিজাইন করা যায়।
এরপর প্রতিটি বেজ বা ফুটিংয়ের নাম দেওয়া আছে, এবং সেই নাম ধরে ফুটিংয়ের ডিটেইলিং করা হয়েছে। বাড়ির প্ল্যানের জন্য ফাউন্ডেশন লে-আউট প্ল্যানটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে ফাউন্ডেশনের নামের সঙ্গে আমরা কলামের নামগুলোও দিয়ে দিই, যাতে কোন কলামে কয়টি রড লাগবে, তা মিস্ত্রিরা বুঝতে পারেন। প্ল্যান করে তারপর কাজ শুরু করুন।
বেজ বা ফুটিং, ভবনের বেজ
প্রতিটি কলামের লোড ফুটিংয়ে আসে এবং কলামভেদে লোড কমবেশি হয়, তাই মাটির ভারবহন ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে ফুটিংয়ের মাপ ঠিক করা হয়। এখানে বলে রাখা ভালো, কলাম লোড ও মোমেন্ট দুটোই নেয়, কিন্তু ফুটিং শুধু লোড নেয়।
আর ফুটিং যেহেতু একটি ক্যান্টিলিভার স্ল্যাবের মতো কাজ করে, তাই এতে শুধু নিচের একটি লেয়ারেই রড দেওয়া হয়। তবে ফুটিংয়ের থিকনেস অনেক বেশি হলে টপ লেয়ারেও রড দিতে হয়; আপলিফটিং থাকলেও ওপরের লেয়ারে রড দিতে হয়।

ভূমিকম্প প্রতিরোধী কলাম, ভূমিকম্পসহনীয় কলাম
ভূমিকম্প প্রতিরোধী কলাম, ভূমিকম্পসহনীয় কলাম: আমাদের দেশে খুব কম বিল্ডিংয়েই ভূমিকম্প প্রতিরোধী কলাম আছে। এখানে কয়েকটি কলামের যে মাপ ও রড দেখানো হয়েছে, সেভাবে করতে পারলে কলাম ভূমিকম্প প্রতিরোধী হবে। তবে রড কাটা ও প্লেসমেন্ট অবশ্যই যাচাই করিয়ে নেবেন; সম্ভব হলে আমাদের দেখিয়ে চেক করিয়ে নেবেন।
অধিকাংশ বিল্ডিংয়ে আমরা কলামের ন্যূনতম প্রস্থ ১০ ইঞ্চি বা ১২ ইঞ্চি ধরে লম্বা কলাম করি, এতে ভূমিকম্পের সময় প্রয়োজনীয় বাকলিং ক্যাপাসিটি পাওয়া যায় না।
তাই ভূমিকম্প প্রতিরোধী কলাম করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
বাড়ির প্ল্যানের মধ্যে সিঁড়িও গুরুত্বপূর্ণ।
বাড়ির প্ল্যানের মধ্যে সিঁড়িও গুরুত্বপূর্ণ।


বিম লে-আউট
বিম লে-আউট: বিম সবসময় কলাম-টু-কলাম জয়েন্টে করতে হয়; কলামগুলো এক লাইনে না থাকলেও বিম কলাম জয়েন্টেই করতে হয়। তবে ক্ষেত্রবিশেষে বিম সোজা হতে পারে।
Grade or Roof Beam Details বিমের রড
Grade or Roof Beam Details বিমের রড: বিমের রড প্লেসমেন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিম মূল স্ট্রাকচারের অংশ। লং সেকশন ও ক্রস সেকশন দেখিয়ে বিমে রড প্লেসমেন্ট দিলে মিস্ত্রিদের বুঝতে সুবিধা হয়। বাড়ির প্ল্যানের মধ্যে বিম অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

২ তলা বাড়ি করতে খরচ কত?
২ তলা বাড়ি করতে খরচ কত?
দুই তলা বাড়ি করতে কত খরচ হয়, তা নির্ভর করে এর ফাউন্ডেশনের ওপর। ফাউন্ডেশন থেকে নিচতলার ফ্লোর সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত একটি খরচ হয়। আমাদের এই বিল্ডিংটি ১৯০২ বর্গফুটের; এখানে নিচতলার ফ্লোর পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা।
এরপর কলাম, সিঁড়ি, বিম ও ছাদ করতে শুধু মালামালে ৮ লক্ষ ১৫ হাজার টাকার মতো লাগবে, আর মিস্ত্রি খরচ আসতে পারে ১ লক্ষ ৯০ হাজার ২০০ টাকা।
তাহলে ফ্লোর করার পর শুধু একটি ছাদ করতে ১০ লক্ষ ৬ হাজার ২৮ টাকা লাগল।
বাড়ির প্ল্যান করার পর খরচের পূর্ণাঙ্গ হিসাব জানা জরুরি।
এরপর ইটের গাঁথুনির জন্য ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ৩ শত ৭৫ টাকা লাগবে।
বাড়ি তৈরির খরচের হিসাব
বাড়ি তৈরির খরচের হিসাব খুব গুরুত্বপূর্ণ। খরচের হিসাব জেনে বাজেট করে কাজে হাত দিলে কাজ শেষ করতে পারবেন। আমরা সবসময় বাড়ি তৈরির খরচের বিস্তারিত হিসাব করে থাকি।
ভেতরের দেয়ালে প্লাস্টার করার জন্য প্রায় ৩৩ হাজার টাকা লাগবে।
সিলিং প্লাস্টারের জন্য আলাদা খরচ ধরতে হবে; পরিমাণ নির্ভর করে ছাদের ক্ষেত্রফলের ওপর।
বাইরের দিকের দেয়াল প্লাস্টার করার জন্য ১৪ হাজার টাকার মালামাল লাগবে।
ফলস স্ল্যাব ও লিন্টেলের জন্য প্রায় বিশ হাজার টাকা লাগবে।
সিঁড়ির এক পাশের রেলিং করতে ৪০ হাজার টাকার মতো লাগবে।
বারান্দার রেলিং করতে তিপ্পান্ন হাজার টাকার মতো লাগবে।
দরজার কাজ করতে ৭৮ হাজার টাকা লাগবে।
জানালার কাজ করতে 85 হাজার টাকার মতো লাগবে।
জানালার গ্রিল করতে প্রায় ১৯ হাজার টাকা লাগবে।
সবকিছু মিলিয়ে মোট ৫ লক্ষ ৮৭ হাজার ৯০৯ টাকা লাগে।
টাইলসের কাজের জন্য তিন লক্ষ 69 হাজার টাকার মতো লাগবে।
আর রঙের কাজের জন্য ৬০ হাজার টাকা, ইলেকট্রিক্যাল কাজের জন্য ২ লক্ষ টাকা এবং প্লাম্বিং কাজের জন্য ২ লক্ষ টাকা আমরা এখানে ধরেছি।
অর্থাৎ একটি ফ্লোরের সম্পূর্ণ কাজে প্রায় ২৮ লক্ষ ৩৮ হাজার ১৬০ টাকার মতো লাগবে। তাহলে দুই তলা করতে এর দ্বিগুণ, ৫৬ লক্ষ ৭৬ হাজার ৩২০ টাকা লাগবে।
ছাদের ওপরের কাজ করতে আরও তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার মতো লাগবে।
তাহলে এখানে ৬০ লক্ষ ২৬ হাজার টাকার মতো লাগল।
আর মাটির নিচের কাজে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকার মতো লেগেছে।
সবকিছু মিলিয়ে খরচ হবে 73 লক্ষ টাকার মতো — ২ তলা বাড়ির প্ল্যান অনুযায়ী মালামাল ও মিস্ত্রি খরচসহ।
এখানে মালামালের একটি সারসংক্ষেপ দেওয়া হয়েছে — আরসিসি বা সিসি কাজে কত ব্যাগ সিমেন্ট, লাল বালি (সিলেট বালি), সাদা বালি (যার FM ১.২), ইট ও রড কোন আইটেমে কতটুকু লেগেছে, তা নামসহ দেওয়া আছে। এবং
একটি আইটেমের উদাহরণ: ২ নম্বর ফুটিংয়ের আরসিসি কাজে লেগেছে ১৫৭ ব্যাগ সিমেন্ট, ১৭৭ ঘনফুট বালি, ৫৩২২ পিস ইটের খোয়া এবং ১২৬৯ কেজি রড।
এভাবে অন্য আইটেমগুলোর হিসাবও দেওয়া আছে। বাড়ির প্ল্যানের জন্য মালামালের পরিমাণ জানা জরুরি।


আরসিসির কোন কাজে কত মিলিমিটারের রড কত কেজি লেগেছে, তা এখানে দেওয়া আছে।
প্ল্যান করার পর সব ক্লায়েন্টই জানতে চান, কোন রড কত কেজি কিনবেন। আমরা রডের সাইজের সঙ্গে পরিমাণও লিখে দিই।
ফাউন্ডেশনের ধরনের ওপর ভিত্তি করে খরচ নির্ধারিত হয়। নিচে কিছু ভিডিও দেওয়া হলো, যেখানে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি; দেখলে উপকৃত হবেন। বাড়ির প্ল্যানের জন্য খরচ জানা জরুরি। https://youtu.be/ivrNwKXF-GYhttps://youtu.be/0GIJ4xhV99Qhttps://youtu.be/nxZ4D2sy1Yghttps://youtu.be/FchET1TfhaQhttps://youtu.be/ac8QxaP9MhIhttps://youtu.be/b55c9A_4alc
মাটি পরীক্ষার গুরুত্ব ও উপকারিতা
মাটি পরীক্ষার গুরুত্ব ও উপকারিতা: মাটির ভারবহন ক্ষমতা জানার জন্য মাটি পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাটির ২ ধরনের ভারবহন ক্ষমতা আছে — একটি ভার্টিক্যাল লোড ক্যাপাসিটি, অন্যটি হরাইজন্টাল লোড ক্যাপাসিটি।
ন্যূনতম তিনটি বোরিং করতে হয়, অর্থাৎ তিনটি জায়গা থেকে সয়েল স্যাম্পল সংগ্রহ করতে হয়। জমি বড় হলে, কিংবা মাটির নিচের লেয়ারগুলো ওঠানামা করলে ডিফারেন্সিয়াল সেটেলমেন্টের সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে; তখন আরও বেশি বোরিং করার প্রয়োজন হতে পারে।
সয়েলের জন্য SPT ভ্যালু খুব গুরুত্বপূর্ণ। স্যাম্পল সংগ্রহের সময় মাটির ধরন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, আর ল্যাবে কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় এটি কোন ধরনের মাটি। সয়েল ক্লাসিফিকেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ন্যূনতম ৩টি বোরিং করতে হয়, এর মধ্যে অন্তত একটি বোরিং ন্যূনতম ১০০ ফুট গভীর হতে হবে। ভবনের উচ্চতা বেশি হলে আরও গভীর করতে হবে — তা একজন জিওটেক ইঞ্জিনিয়ার বলে দেবেন।
ফাউন্ডেশন ডিজাইন একজন জিওটেক ইঞ্জিনিয়ারকে দিয়ে করালে ভালো হয়। ভবনের উচ্চতা, অর্থাৎ লোড বেশি হলে সয়েল টেস্টের সঙ্গে ফাউন্ডেশন ডিজাইনও জিওটেক ইঞ্জিনিয়ারকে দিয়ে করানোই সবচেয়ে ভালো।
আর স্ট্রাকচার ডিজাইন অবশ্যই একজন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারকে দিয়ে করাতে হবে। কম খরচে বাড়ি করার জন্যও মাটি পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের কাজ
ডুপ্লেক্স বাড়ির ডিজাইন
২ তলা বাড়ির ডিজাইন
৩ তলা বাড়ির ডিজাইন
৪ তলা বাড়ির ডিজাইন
৫ তলা বাড়ির ডিজাইন
৬ তলা বাড়ির ডিজাইন
মসজিদের ডিজাইন
বাড়ির ফাউন্ডেশন খরচ
3D House Design
অল্প জায়গায় বাড়ির নকশা
দুই ইউনিট বাড়ির ডিজাইন
বাড়ির ডিজাইন ছবি
বাড়ির ভিডিও
ডুপ্লেক্স বাড়ির ডিজাইন
চার রুমের বাড়ির নকশা
দুই রুমের বাড়ির নকশা
বাড়ির নকশা
নতুন বাড়ির ডিজাইন
তিন রুমের বাড়ির নকশা
বাড়ির ডিজাইন
জমির হিসাব
বাড়ির ডিজাইন খরচ কত?
বাড়ি বানানোর নিয়ম
বাড়ি নির্মাণ খরচ কত?
৪ তলা বাড়ির ফাউন্ডেশন খরচ
৫ তলা বাড়ি ফাউন্ডেশন খরচ
৬ তলা বাড়ির ফাউন্ডেশন খরচ
আমাদের বাড়ির প্ল্যান -এর কাজগুলো দেখুন।
ডুপ্লেক্স বাড়ির ডিজাইন
রাজকীয় ডুপ্লেক্স বাড়ি
৭ শতক জমি ডুপ্লেক্স বাড়ি
ছোট ডুপ্লেক্স বাড়ি
চার রুমের ডুপ্লেক্স বাড়ি
বিদেশি বাড়ির ডিজাইন
২ তলা বাড়ির ডিজাইন
৬ শতক ৪ রুম ২ তলা বাড়ি
৪ রুমের বাড়ির নকশা
৫ শতক জমিতে ২ তলা বাড়ি
চার রুমের ডুপ্লেক্স বাড়ি
৪ রুমের দুই তলা বাড়ি
৩ তলা বাড়ির ডিজাইন
৪ তলা বাড়ির ডিজাইন
CONTACT
Talk to us about the right design for your plot
Tell us your land size and requirements and we can suggest a suitable plan and an indicative cost.